Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest

‘খলিফা হারুনুর রশিদ’ স্টাইলে চুপি চুপি এক্সারসাইজ এরিয়া ভিজিটে গিয়ে ডেমোলিশন গার্ড কমান্ডারকে নাকে তেল দিয়ে ঘুমাতে দেখে প্রেসিডেন্ট বশির তো রেগেমেগে আগুন!
রাগ সামলে বশির এক্সারসাইজ কমান্ডারের দিকে ফিরে জলদগম্ভীর স্বরে বললেন, “কন্সিডার দিস ব্রিজ ইজ ডেস্ট্রয়েড অ্যান্ড দ্য ডেমোলিশন গার্ড কমান্ডার ইজ ডেড…”
আল্লামা বশির সুদান অধিপতি! অতীব শক্ত লোক; খালি ‘আয়রন ম্যান’ বললে কমই বলা হবে, একেবারে ‘স্টিল ম্যান!’


প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে উনি আর্মির ব্রিগেডিয়ার ছিলেন; তাই চান্স পেলেই উনি ‘খলিফা হারুনুর রশিদ’ স্টাইলে আর্মির এক্সারসাইজ-ট্রেনিং দেখতে চলে যান। যেমন এবার এসেছিলেন ‘রিজার্ভড ডেমোলিশন এক্সারসাইজ’ দেখতে।


এক্সারসাইজ কমান্ডার ডেমোলিশন গার্ড কমান্ডারের হয়ে সাফাই গাইবার কোনো রিস্কই নিলেন না। “ইয়েস স্যার” বলেই তিনি ডেমোলিশন গার্ড কমান্ডারের দিকে তাকিয়ে খেঁকিয়ে উঠলেন, “পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ব্রিজ ধ্বংস, ডিউটি লাগাও, ব্রিজের উপর দিয়ে যেন এক্সারসাইজের কোনো গাড়ি না যায়, আর পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তুমিও মৃত। নাউ গেট লস্ট…”


ভিজিট শেষ হয়ে যাওয়ার পরপরই একজন সেপাই ব্রিজের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ডিউটি দিতে শুরু করল আর তার বিধ্বস্ত ডেমোলিশন গার্ড কমান্ডার ব্রিজের গোড়ায় একটা মাইলস্টোনের উপর হতাশ বসা।

হঠাৎ ফার্মের মুরগির ডিমভর্তি এক ভ্যানওয়ালা ব্রিজ ক্রস করতে এগিয়ে আসতেই ডিউটিরত সেপাই ‘হা…রে…রে…’ করে এগিয়ে এসে তাকে থামিয়ে দিয়ে ধমকে উঠল-
‘ব্রিজ ভাঙা, ঐপারে যাওয়া যাবে না।’
‘কী কন বস! ব্রিজ তো পুরাই ওকে লাগে…’
‘চোউপ! প্রেসিডেন্ট কইসেন ব্রিজ ভাঙা, তোর কোনো ডাউট আছে?’
‘জি না বস, মানে…’
‘আওয়াজ নিচে, ভ্যান পিছে; আউট!’
হতাশ ভ্যানওয়ালা পিছিয়ে এসে সেই বিধ্বস্ত ডেমোলিশন গার্ড কমান্ডারের পাশে গাড়ি থামিয়ে বলল, ‘আপনেই বলেন স্যার, ব্রিজ নাকি ভাঙা!’
‘ডেমোলিশন গার্ড কমান্ডার মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিয়ে বলল, ‘আরে এই ব্রিজ ভাঙা তো এক্সারসাইজের ভাঙা, শুধু আর্মির গাড়ির জন্য প্রযোজ্য; সিভিল গাড়ি যেতে তো কোনো বাধা নেই।’

এই কথা শুনে ভ্যানওয়ালা বলল, ‘স্যার, সেই জন্যই তো আপনে সিনিয়র! একটু উনারে বিষয়ডা বুঝাইয়া বলেন না স্যার…’
অবাক হয়ে এবার ডেমোলিশন গার্ড কমান্ডার বলল, ‘আমি কী করে বলব? আমি নিজেই তো পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত মৃত রে ভাই….’

পুনশ্চ
যুদ্ধের সময় কিছু ইম্পর্টেন্ট ব্রিজে আগে থেকেই এক্সপ্লোসিভ লাগিয়ে রাখা হয় যেন এনিমির প্রেশারে পিছিয়ে আসতে হলে, আসার সময় সেই এক্সপ্লোসিভ ফাটিয়ে ব্রিজ উড়িয়ে দিয়ে নিরাপদে পিছিয়ে আসা যায়। এক্সপ্লোসিভ লাগানো এই ব্রিজকে বলে রিজার্ভড ডেমোলিশন; আর ২৪ ঘণ্টা এই রিজার্ভড ডেমোলিশনকে নিরাপদ রাখতে নিয়োজিত সেনাদলকে বলে ডেমোলিশন গার্ড।


ট্রিভিয়া
এটি একটি জোক, সকল কিছুই কাল্পনিক, কোনো কিছু মিলে গেলে তা নেহায়েতই কাকতালীয়!

Delwar Hossain Khan (Del H Khan)
দেলোয়ার হোসেন খান (ডেল এইচ খান)

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *