Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest

মহামারী মানেই অসংখ্য মৃত্য আর করোনা ভাইরাস মহামারীতেও প্রাণহানি অবধারিত। তাই অপ্রিয় এ সত্য মেনে নিয়ে কীভাবে করোনায় আক্রান্তের মৃতদেহ সৎকারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় তা জেনে রাখাই শ্রেয়। এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলবার আগে চলুন দুটো বিষয়ে জেনে নেই। একঃ মহামারী কি আর দুইঃ করোনা ভাইরাস মহামারী সংক্রান্ত কিছু ফ্রিকোয়েন্টলি আস্কড কোশ্চেনসের আন্সার।

মহামারীঃ

মহামারী মানে মড়ক বা এমন কোনো সংক্রামক রোগ যাতে অল্প সময়ে বহু লোক মারা যায়। এর ইংরেজি এপিডেমিক (Epidemic) যা গ্রিক এপি (উপরে) আর ডেমোস (মানুষ) শব্দ দুটো মিলে সৃষ্ট। যে মহামারী বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পরে তাকে বলে প্যান্ডেমিক বা বৈশ্বিক মহামারী। তবে লক্ষ্যনীয় বিষয় হল বিশ্বজুড়ে যে মহামারীতে আক্রান্তদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রন করা যায় তাকে প্যান্ডেমিক বলে না। যেমনঃ ইবোলা। ১৯৭৬ সাল পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা ছড়িয়ে পরে এবং এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে এগারো হাজার লোক প্রাণ হারিয়েছে তবে একে প্যান্ডেমিক বলা হয় না

১৩৪৬-১৩৫৩ সালের ‘ব্ল্যাক প্লেগ’ কে বলা হয় ইতিহাসের ভয়াবহতম মহামারী। ইউরোপ আর এশিয়া জুড়ে ছড়িয়ে পরা এই প্লেগে ৭৫ থেকে ২০০ মিলিয়ন মানুষ মৃত্যুবরণ করেছিল। ইউরোপের মোট জনসংখ্যার ৩০-৬০ ভাগ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তবে মহামারীর ইতিহাস বেশ লম্বা। ৪৩০ খ্রিষ্টপূর্বে লিবিয়া, ইথিওপিয়া, মিসর ও গ্রিস জুড়ে টাইফয়েড মহামারীতে ওই অঞ্চলের মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের মৃত্যু হয়। এরপরে ৫৪১ সালের জাস্টিনিয়ান প্লেগে মারা যায় পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ২৬ শতাংশ মানুষ। ১৬৬৫ সালের ‘দ্য গ্রেট প্লেগ অব লন্ডন’ এ লন্ডনের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশের মৃত্যু হয়। ১৮১৭ সালের কলেরা মহামারিতে সব মিলিয়ে প্রায় ২৩ লাখ লোক মারা যায়। ১৮৫৫ সালের প্লেগে মারা যায় প্রায় দেড় কোটি মানুষ। ১৮৮৯ সালের রাশান ফ্লুতে প্রায় সাড়ে তিন লাখ, ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লুতে প্রায় পাঁচ কোটি, আর ১৯৫৭ সালের এশিয়ান ফ্লুতে প্রায় এগার লাখ, আর ১৯৮১ সাল থেকে এইডসে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন কোটি লোক প্রাণ হারিয়েছে।

করোনা ভাইরাস মহামারী সংক্রান্ত কিছু ফ্রিকোয়েন্টলি আস্কড কোশ্চেনসের আন্সারঃ

করোনা ভাইরাস কি?
করনা ভাইরাস এক ধরনের ভাইরাস যার কারণে কোভিড-১৯ নামের রোগ হয়।
(Coronaviruses are a large family of viruses which may cause illness in animals or humans.  In humans, several coronaviruses are known to cause respiratory infections ranging from the common cold to more severe diseases such as Middle East Respiratory Syndrome (MERS) and Severe Acute Respiratory Syndrome (SARS). The most recently discovered coronavirus causes coronavirus disease COVID-19.)

কোভিড-১৯ কি?
একটি সংক্রামক রোগ। এর ফলে জ্বর অবসাদ এবং শুকনো কাশি দেখা দেয়। এই রোগ হলে প্রতি ছয়জনের পাঁচজন ভালো হয়ে গেলেও বাকি একজনের প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট জনিত উপসর্গ দেখা দেয়। রোগী যদি বয়স্ক হয় কিংবা তার যদি উচ্চ রক্তচাপ হূদরোগ বা ডায়াবেটিস থাকে তাহলে তার মৃত্যু ঝুঁকি দারুণ ভাবে বেড়ে যায়।
( COVID-19 is the infectious disease caused by the most recently discovered coronavirus. This new virus and disease were unknown before the outbreak began in Wuhan, China, in December 2019. The most common symptoms of COVID-19 are fever, tiredness, and dry cough. Some patients may have aches and pains, nasal congestion, runny nose, sore throat or diarrhea. These symptoms are usually mild and begin gradually. Some people become infected but don’t develop any symptoms and don’t feel unwell. Most people (about 80%) recover from the disease without needing special treatment. Around 1 out of every 6 people who gets COVID-19 becomes seriously ill and develops difficulty breathing. Older people, and those with underlying medical problems like high blood pressure, heart problems or diabetes, are more likely to develop serious illness. People with fever, cough and difficulty breathing should seek medical attention. )

কিভাবে ছড়ায়?
হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে এর জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে।
(People can catch COVID-19 from others who have the virus. The disease can spread from person to person through small droplets from the nose or mouth which are spread when a person with COVID-19 coughs or exhales. These droplets land on objects and surfaces around the person. Other people then catch COVID-19 by touching these objects or surfaces, then touching their eyes, nose or mouth. People can also catch COVID-19 if they breathe in droplets from a person with COVID-19 who coughs out or exhales droplets. This is why it is important to stay more than 1 meter (3 feet) away from a person who is sick. WHO is assessing ongoing research on the ways COVID-19 is spread and will continue to share updated findings.)

বাতাসের মাধ্যমে কি করোনাভাইরাস ছড়ায়?
আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি অথবা কাশির মাধ্যমে এই ভাইরাস এক মিটার বা তিন ফুট দূরত্ব পর্যন্ত ছড়াতে পারে।
( Studies to date suggest that the virus that causes COVID-19 is mainly transmitted through contact with respiratory droplets rather than through the air. )

অ্যান্টিবায়োটিক খেলে কি করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব?
অ্যান্টিবায়োটিক মূলত ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশনের বিরুদ্ধে ভালো কাজ করে এবং ভাইরাসের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর নয়।
( No. Antibiotics do not work against viruses, they only work on bacterial infections. COVID-19 is caused by a virus, so antibiotics do not work. Antibiotics should not be used as a means of prevention or treatment of COVID-19. They should only be used as directed by a physician to treat a bacterial infection.  )

এর কি কোন ভ্যাকসিন বা ঔষধ আছে?
এখন পর্যন্ত নেই।
( While some western, traditional or home remedies may provide comfort and alleviate symptoms of COVID-19, there is no evidence that current medicine can prevent or cure the disease. WHO does not recommend self-medication with any medicines, including antibiotics, as a prevention or cure for COVID-19. However, there are several ongoing clinical trials that include both western and traditional medicines. WHO will continue to provide updated information as soon as clinical findings are available. To date, there is no vaccine and no specific antiviral medicine to prevent or treat COVID-2019. However, those affected should receive care to relieve symptoms. People with serious illness should be hospitalized. Most patients recover thanks to supportive care. Possible vaccines and some specific drug treatments are under investigation. They are being tested through clinical trials. WHO is coordinating efforts to develop vaccines and medicines to prevent and treat COVID-19. The most effective ways to protect yourself and others against COVID-19 are to frequently clean your hands, cover your cough with the bend of elbow or tissue, and maintain a distance of at least 1 meter (3 feet) from people who are coughing or sneezing. )

আমি কি সারাক্ষণ মাস্ক পরে বসে থাকবো?
আপনার যদি সর্দি-কাশি থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন। আবার সর্দি কাশি আছে এরকম কারো সাথে দেখা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও আপনার মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।
(Only wear a mask if you are ill with COVID-19 symptoms (especially coughing) or looking after someone who may have COVID-19. A disposable face mask can only be used once. If you are not ill or looking after someone who is ill then you are wasting a mask. There is a world-wide shortage of masks, so WHO urges people to use masks wisely. WHO advises rational use of medical masks to avoid unnecessary wastage of precious resources and misuse of masks . )

তাহলে কিভাবে রক্ষা পাব?
বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুবেন, হাঁচি বা কাশির সময় মুখ ঢাকবেন আর কোয়ারেন্টিন চলাকালে নিজের বাসার বাইরে কম যাবেন।
( The most effective ways to protect yourself and others against COVID-19 are to frequently clean your hands, cover your cough with the bend of elbow or tissue and maintain a distance of at least 1 meter (3 feet) from people who are coughing or sneezing. )

পরের ব্লগে আমরা জানবঃ
করোনায় আক্রান্তের মৃতদেহ থেকে কি ভাইরাস ছড়ায়?
https://delhkhan.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0/

Delwar Hossain Khan (Del H Khan)
দেলোয়ার হোসেন খান (ডেল এইচ খান)

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest

1 thought on “করোনায় আক্রান্তের মৃতদেহ সৎকারে সতর্কতা-১”

  1. Pingback: করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের মৃতদেহ সৎকারে সতর্কতা-২ – Delwar Hossain Khan

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *